সাইফ আলী
ছুঁয়ে দিতে ইচ্ছে করে; তারকারাজি, চাঁদ, মেঘ, বিস্তৃত আকাশ-ও। ছুঁয়ে দিতে ইচ্ছে করে— আমার অভিমানিনী প্রেয়সির মন-ও।
এমনকী— ইচ্ছে করে, ওই হৃদয়ের প্রতিটি জানালা-কপাট খুলে খুলে তন্ন তন্ন করে খুঁজে নিই— প্রেমানুভূতির সব নির্যাস। এবং হয়ে যাই তাঁর মনোসাম্রাজ্যে— সবচে প্রিয় অভিবাসী।
এমনও ইচ্ছে করে যে, মুক্তোর মালা গাঁথি; সাগরের তলদেশ থেকে ঝিনুক কুড়াই।
আর তাঁর মনোসাম্রাজ্যগহিনের মনি-মানিক্যে নিভৃতে আমার দু’হাতে পরশ বুলাই।
আমি তো অমানুষ নই, প্রিয়া! কেন সহজলভ্যকে লব্ধ করি না?
শুধু ভুল হয়— অথবা ভুল করি।
অবশেষে ইচ্ছে হয়— মৃত্যুকেই ছুঁয়ে দিতে। সত্তায় যেখানে যখন— নিভৃতে থেমে যাওয়া!
জানো কি? এখন!
আকাশের তারকারাজি আর ছুঁয়ে দিতে ইচ্ছে করে না। এমনকি, চাঁদ, মেঘ, সর্বপরি বিস্তৃত আকাশ-ও।
ভালোবাসা ছুঁয়ে দিতেও ইচ্ছে নেই; এমনকি কারও হৃদয়ের জানালা-কপাট খুলে খুলে তন্ন-তন্ন করে প্রেমানুভূতি খুঁজে পেতেও।
হতে চাই না কারও মনোসাম্রাজ্যের অভিবাসী।
সাগরের তলদেশ থেকে ঝিনুক কুড়িয়ে মুক্ত খুঁজতে চাই না। কারও মনোসাম্রাজ্যগহিনের মনি-মানিক্যে আমার হাতের পরশ বুলাতে ইচ্ছের মৃত্যু ঘটেছে বোধ করি।
অবশেষে মৃত্যুকেই ছুঁয়ে দিতে অভিপ্রায়। সত্তায় যখন যেখানে ‘সে’ নিরবধি থেমে যায়!